একটানা ৪১ দিন ২০৫ ওয়াক্ত তাকবীরে উলার সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করে পুরস্কার পেয়েছে ১৭ জন শিশু। পুরস্কার হিসেবে তাদের দেওয়া হয়েছে একটি করে বাইসাইকেল।
বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেলে বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে শিশু ও তাদের অভিভাবকদের তাদের হাতে সাইকেল তুলে দেওয়া হয়।
“এসো নামাজ পড়ি, কোরআনের আলোকে জীবন গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার আয়োজন করে সামাজিক সংগঠন দিঘীরপাড়া ইসলামী আদর্শ কাফেলা। পুরস্কার বিতরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দিঘীরপাড়া ইসলামী আদর্শ কাফেলার সভাপতি হাফেজ শাহাব উদ্দীন সভাপতিত্ব ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান ইকবালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বাঁশখালী দারুল ইসলাহ দাখিল মাদ্রাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মাওলানা মুজিবুর রহমান, সাদুর রশিদ চৌধুরী, হাসান আজাদ চৌধুরী, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, মাস্টার ইউসুফ, আমীরুল ইসলাম, ছাত্রনেতা মোহাম্মদ মিরাজ হোসেন, পশ্চিম বাঁশখালী দারুল ইসলাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোহাম্মদ হোসাইন ও ইসলামী আদর্শ কাফেলার সাবেক সভাপতি মাওলানা রাশেদুল হক।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নামাজ অন্যায় ও অশোভন কাজ থেকে মানুষকে বিরত রাখে। নামাজ মানুষকে সময়ানুবর্তিতার শিক্ষা দেয়। দায়িত্বপরায়ণতার দীক্ষা দেয়। স্রষ্টার সঙ্গে পবিত্র দাসত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে। সকল প্রকার দাসত্ব থেকে মানুষকে মুক্তি দেয়। নামাজ হলো দ্বীনের স্তম্ভ। যে ব্যক্তি নামাজ প্রতিষ্ঠা করে সে দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করে।
বক্তারা আরও বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুরা জামায়াতে নামাজ আদায়ের প্রশিক্ষণ পেয়েছে। বড় হলে নামাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তারা সমাজ থেকে সকল অন্যায় ও অশোভন কাজকে প্রতিরোধ করবে।